শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৫

Control Section

আজ আবার হাজির হলাম আপনাদের সামনে ।আজ মোবাইল সার্ভসিং কোর্স এর ৮তম পোস্ট ।আশা করি আপনারা ভাল আছেন । ত চলুন শুরু করি ।

Control Section :

ইহা সাধারনত পাওয়ার সেকশন ও নেটওয়ার্ক সেকশন এর মাঝে থাকতে পারে।control section এর আইসি গুলো সাধারনত কালো রং এর হয় এবং একত্রে থাকে।কন্ট্রোল সেকশন এর মাঝে সাধারনত যে সকল আইসি থাকে-C.P.U, Audio ic,Ram,Romইত্যাদি।

চিত্র কন্ট্রোল সেকশন


C.P.U:-ইহা দেখতে বর্গাকার ও কালো রঙ এর।মাদার বোর্ড এর দিতীয় বড় আইসি হচ্ছে এটি।C.P.U এর কাজ হচ্ছে সম্পুর্ণ মাদার বোর্ডকে Control করা।C.P.U নষ্ট বা un-solder হয়ে থাকলে, Mobile set এ পাওয়ার আসবেনা,Sim Card,Keypad কাজ করবেনা।এ ছাড়াও Network সমস্যা,Display সমস্যা,SoftwareProblem ইত্যাদি এ সকল সমস্যা এই C.P.U এর কারণে হয়ে থাকে।C.P.U সাধারনত পরিবর্তন করা যায় না।

Audio Ic:Audio ic হচ্ছে একটি ইলেক্ট্রনিক আইসি যা Audio signal control বা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে শব্দের আদান-প্রদানে সহায়তা করে থাকে ।ইহা সাদারনত ৪৮-৬০ পিন এর হয়ে থাকে।দেখতে বর্গাকার ও কালো রং এর এবং চারদিকে পিন বিশিষ্ট হয়ে থাকে ।

Audio ic এর কাজ ও নষ্ট হলে বুঝার উপাইঃ-

ইহা Speaker,Ringer.Microphone,Audio signel control করে থাকে।অডিও আইসি নষ্ট হলে কথা শুনা যায় না।অর্থাৎ শাব্দের আদান-প্রদান বন্দ হয়ে যায়।এছাড়াও ইহা নষ্ট হয়ে গেলে mobile set এর network থাকে না ।Speaker,Ringer,Microphone ঠিক থাকার পরও যদি কথা না শুনা যায় অর্থাৎ শব্দের আদান-প্রদান বন্দ থাকে,তবে বুঝতে হবে Audio icনষ্ট।
Ram ওRom :Ram ও Rom হচ্ছে একটি মেমোরি ডিভাইস।Ram এর অর্থ হচ্ছে Random Access Memory.আর Rom  এর অর্থ হচ্ছে Red Only Memory.এই দুটি আইসি সাধারনত C.P.U এর পাশে থাকে।কিছু কিছু সেটের আইসির গায়ে Flash কথাটি লেখা থাকে,সেটাই হচ্ছে Rom এবং এর পাশেরটা হচ্ছে Ram.এই দুটি আইসি সব সময় পাশাপাশি থাকে।

Ram ও Romএর কাজঃ-

  • Ram অস্থায়ী ভাবে Data collection করে থাকে।আর Rom স্থায়ী ভাবে Data collection করে।
  • Ram নষ্ট হলে অস্থায়ী ডাটা গুলো মুছে দেয় এবং Network থাকে না।
  • Rom নষ্ট হলে স্থায়ী ডাটা গুলো মুছে দেয় এবং Power ও Network দুটোই থাকে না ।
N:B Ram ও Rom নষ্ট হলে software দিয়ে সমস্যা সমাধান করতে হবে।

                       Extra Knowledge

  • সেট on/off হতে যদি সমস্যা করে তাহলে switch পরিবর্তন করব।
  • Set Death হয়ে গেলে প্রথমে Batteryচেক করব,তারপর ব্যটারী কানেক্টর ভাল করে চেক করতে হবে।
  • Keypad hang হয়ে গেলে কিপেডের নিচে একটা পাতা থাকে(কিপেড পাতা) সেটা আমরা পরিস্কার অথবা পালটিয়ে দিব ।
  • Call করার মাঝে বা কথা বলার মাঝখানে সেট off হয়ে যাই তাহলে আমরা বুঝব Batteryআয়ু শেষ ।
  • কল করার শুরূতে যদি পাওয়ার অফ হয়ে যায় তাহলে Battery connector লুজ ।
  • আমি শুনি কিন্তু অপর প্রান্ত শুনতে পায় না Microphone নষ্ট ।
  • অপর প্রান্তে আমার কথা শুনে কিন্তু আমি শুনিনা Speaker খারাপ ।
ভাল থাকবেন সবাই আবার দেখা হবে আগামি টিউনে ।

Network Section

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সবাই ভাল আছেন । আজ আলোচনা করব মোবাইলের নেটওয়ার্ক সেকশন নিয়ে । আসুন শুরু করি-

Network Section

Network Section সাধারনত যে সকল আইসি থাকে তার মাঝে-
  • Antenna Swith
  • P.F/R.F ic
  • Capacitor
  • Coupler
  • Rx,Tx Line
  • Antenna

Network section চেনার উপাইঃ-

ইহা সাধারনত Mobile set এর মাদার বোর্ড এর উপরের অংশে থাকে।Network section এর বেশির ভাগ parts গুলা মেটাল কালার হয়ে থাকে । যে সেকশনে মেটাল কালার parts বেশি পাওয়া যাবে ধরে নিতে হবে সেটাই Network section. ক্ষেত্র বিশেষে একই রকম না ও হতে পারে ।

Antenna :

যে যন্ত্রের সাহায্যে ইলেকট্রনিকেল সিগন্যালকে ধরে রাখতে পারে এবং ছেড়ে দেয় তাহাই হচ্ছে Antenna. মোবাইল সেট এ সাধারনত দুই ধরনের antenna ব্যবহার হয়ে থাকে।
  • Indoor Antenna
  • Out-door Antenna
Indoor antenna:- ইহা মোবাইল সেট এর ভিতরের অংশে থাকে,তাই এই antenna কে দেখা যাই না ।
চিত্র ইনডোর এনটেনা

Out-door antenna:- ইহা মোবাইল সের এর বাহিরের অংশে থাকে,তাই এই antenna কে দেখা যায় ।

Antenna Switch:

ইহার কাজ হচ্ছে Incoming ও Outgoing Signal কে controll করা । ইহা সাধারনত ৬থেকে ১৬ পিন বিশিষ্ট হয়ে থাকে ।এর গায়ের উপর rx/tx বা ant লেখা থাকবে,যদি লেখা না থাকে তাহলে এর গায়ে একাধিক ছিদ্র থাকবে । তবে বর্তমানে অনেক সেট এ Antenna Switch ব্যবহার করা হয় না ।
চিত্রে দেখুন

P.F/R.F :-P.F হচ্ছে (Power Frequency) আর R.F (Radio Frequency) ইহা দেখতে আয়তকার ও মেটাল কাভার যুক্ত হয় ।আবার ইহা কালো রং এর হয়ে থাকে ।যদি মেটাল কাভার যুক্ত হয় তাহলে এর গায়ের উপর P.F কথাটি লেখা থাকবে ।আর যদি কালো রং এর হয় তাহলে এর গায়ে R.F লেখা থাকে ।ইহা সাধারনত এন্টিনা সুইচ এর কাছে থাকে ।এর কাজ হচ্ছে 900-1800 Hz ফ্রিকোয়েন্সি কন্ট্রোল করা ।P.F/R.F নষ্ট হলে অনেক সময় সেট এ পাওয়ার থাকে না এবং সেট এ Network থাকে না ।
চিত্র পিএফ/আরএফ

Coupler: Coupler দেখতে সাদা বা ধুসর রং এর হয়ে থাকে ।৬থেকে ৮পিন বিশিষ্ট ।coupler এর কাজ হচ্ছে দুই পার্টসের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা ।x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে উভয় পাশে 0hm দেখাবে নষ্ট হলে কোন মান দেখাবে না
চিত্র

Rx,Tx Line: এই লাইনগুলি এনটেনা থেকে মোবাইলের ভিতর প্রবেশ করে থাকে ।এই লাইন দিয়েই সিগনাল আদান প্রাদান হয় ।
চিত্র

চিত্র মাদার বোর্ড

আসসালামু আলাকুম ।আশা করি সবাই ভাল আছেন । আজ আবার আপনাদের সামনে হাজির হলাম ।এত দিনে আশা করি আপনারা মোটামোটি কিছু একটা ধারনা আপনারা পাইছেন ।আজ আমি আপনাদের মোবাইল নিয়ে বলব । ত চলুন শুরু করি-

Mobile Section:

Mobile এ সাধারনত বডি,কেসিং,ব্যটারি,Display,P.C.B Board (পিনটেট কপার বোর্ড)বা মাদার বোর্ড থাকে ।

চিত্র মাদার বোর্ড

মাদার বোর্ড সাধারনত তিনটি ভাগে ভাগ করা যাই-

  • Network Section
  • Control Section
  • Power Section
চিত্রে দেখুন সেকশন
আজ এই পর্যন্তই আবার দেখা হবে আগামি টিউনে সেই নাগাদ সবাই ভাল থাকবেন ।

Diode

Diode:

Diode এর কাজ হচ্ছে AC কে DC করা বা বিদ্যুতকে এক মুখি করা। Diode সাধারনত তিন প্রকার-
  • Normal Diode
  • Genear diode
  • Stepup diode
Normal Diode সাধারনত কালো রং এর হয়ে থাকে,দুই পিন বিশিষ্ট।এর এক পাশে সাদা বা যে কোন দাগ দেয়া থাকতে পারে।এর গায়ের উপর “U” আকৃতির ভাঙ্গা দাগ থাকতে পারে।
Avometer Selector x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে এক পাশে মান দেখাবে। নষ্ট হলে মান দেখাবে না ।
Genar Diode:চেনার উপায়ঃ-ইহা সাধারনত কালো রঙ এর হয়ে থাকে।ছয় পিন বিশিষ্ট,এর গায়ের এক পাশে সাদা বা যে কোন দাগ থাকতে পারে।এর ৩ নং পিন output থাকে এবং ৪নং পিন input থাকে।
Stepup Diode:-চেনার উপায়-ইহা সাধারনত কালো রঙ এর হয়ে থাকে,ছয় পিন বিশিষ্ট।এর ৩পিন output থাকে এবং ৩ পিন input থাকে।
Ganar Diode & Stepup Diode মাপার নিয়মঃ-Avomiter selector Dc V10 এ রেখে,মাদার বোর্ডে চার্জার লাগিয়ে,মিটারে নেঘেটিভ প্রান্ত গ্রাউন্ড রেখে মাপতে হবে।ভাল থাকলে মান দেখাবে নষ্ট হলে দেখাবে না।
Coil: Coil এর কাজ হচ্ছে বিদ্যুতকে হালকা বাধা প্রদান করা।ইহা সাধারনত কলো রঙ এর হয়ে থাকে, এর গায়ের দুপাশে সাদা বা সিলভার রঙ এর দাগ দেয়া থাকে।ক্ষেত্র বিশেষ coil অন্যান্য কালার ও হয়ে থাকে।
Coil মাপার নিয়মঃ-Avomiter x10 রেখে মাপতে হবে ভাল থাকলে 0.ohm দেখাবে,নষ্ট হলে কোন মান দেখাবে না
Resistor:- এর কাজ হচ্ছে বিদ্যুতকে বাধা প্রদান করা।ইহা কালো বা নীল রঙ এর হয়ে থাকে,এর গায়ে voltage লেখা থাকে।Mobile এর অন্যান্য পার্টস এর তুলনায় রেজিস্টার পাতলা হয়ে থাকে।
Resistor মাপার নিয়মঃ-Avometer x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে মান দেখাবে নষ্ট হলে দেখাবে না।

Electrolitic Capacitor

আসসালামু আলাইকুম ।আশা করি সবাই ভাল আছেন,আমিও ভাল শুরু করছি আজকের ৪র্থ টিউন । আশা করি সাথা থাকবেন-

Electrolitic Capacitor

Electrolitic Capacitor কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।(a)Polaraty Capacitor,(b)Non Polarati Capacitor

(a)Polarati Capacitor:

চেনার উপায়,এটা সাধারনত হলুদ রং এর হয়ে থাকে,এর positive প্রান্তে বাদামি বা ধুসর  রং এর দাগ দেয়া থাকে।আবার polarity capacitor যদি কালো রং এর হয় তাহলে এর পজেটিভ প্রান্তে সাদা বা সিলবার এর দাগ দেয়া থাকে।

Polarity capacitor :

মাপার নিয়ম-এভোমিটার সিলেক্টর x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে মান দেখাবে।আর যদি নষ্ট হই তাহলে কোন মান দেখাবে না।
চিত্র - polarity capacitor

Non Polarety capacitor চেনার উপায়ঃ-

  • ইহা সাধারনত বাদামি ও ধুসর কালার হয়ে থাকে। এর গায়ের দুপাশে সাদা বা সিলভার রং এর দাগ দেয়া থাকে।
  • মাপার নিয়মঃ-Avometer selector x10k এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে মিটারের রিডিং দেখিয়ে Discharge বা ব্রেক করবে।
  • Ceramic Capacitor :চেনার উপায়ঃ-ইহা সাধারনত বাদামি বা ধুসর রং এর হয়ে থাকে,এর গায়ের দু’পাশে সাদা বা সিলবার রং এর দাগ দেয়া থাকে।Ceramic capacitor অবশ্যই অবশ্যই non polarity capacitor থেকে ছোট হবে।
  • Ceramic capacitor মাপার নিয়মঃ-Avometer Selector x10 এ রেখে মাপতে হবে, ভাল থাকলে মিটারের কোন রিডিং দেখাবে না।
  • Transistor:-ট্রানজিস্টর এর কাজ হচ্ছে Amplifli করা বা সংকেতকে বর্ধিত করা।Transistor সাধারনত তিন পিন ও কালো রং এর হয়ে থাকে।
1.Base Pin,2.Collector Pin,3.Emetor Pin.
  • Base Pine সব সময় input থাকে,
  • Collector Pin সব সময় output থাকে,
  • Emetor Pin সব সময় Ground থাকে।
Transistor মাপার নিয়মঃ-এভোমিটার সিলেক্টর এক্স১০ এ রেখে মাপতে হবে,মিটারের নেগেটিভ প্রান্ত Common বা স্থায়ী রেখে অথবা ১নং পিন এ রেখে,মিটারের প্রজেটিভ প্রান্ত দিয়ে ২নং ও ৩ নং পিন এ স্পর্শ করলে যদি মিটারের রিডিং ৫-১৫ ওহম দেখাই তাহলে বুঝব Transistor ভাল আছে।
ভাল থাকবেন সবাই ।
ফেইসবুকে আমি
কোন সমস্যার জন্য যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে

Speaker

আসসালামু আলাইকুম।আশা করি সবাই ভাল আছেন ।আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির ৩য় টিউন টা নিয়ে ।আজকের টিউন খুবই গুরুক্ত বহন করে ।বকবক না করে চলে যাই মূল পর্বে -

Speaker:


যার মাধ্যমে আমরা কথা শুনতে পায়, তার নাম Speaker। Speaker মাপার নিয়ম-এভোমিটারের x1বা x10 রেখে মাপতে হবে,স্পিকার ভাল থাকলে শব্দ হবে,নস্ট হলে কোন প্রকার শব্দ হবে না।আর মিটারের কাটা যদি ১০০ উহম এর উপরে চলে যায় তাহলে স্পিকারের শব্দ আস্তে হবে।শব্দ না হলে বুঝেতে হবেSpeker খারাপ।

Ringer:


যার মাধ্যমে আমরা কোন Massage বা তথ্য আসলে শুনতে পাই,মোবাইলে কল আসলে রিং এর শব্দ যার মাধ্যমে বেজে উঠে তাকে Ringer বলে। Ringer মাপার নিয়ম- এভোমিটার সিলেক্টর x1বা x10 রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে শব্দ হবে এবং মিটারের কাটা ৫-১৫ওহম দেখাবে।

Vibrator:


Vibrator এর কাজ হচ্ছে মোবাইল সেট কে কাঁপানো। Vibrator মাপার নিয়ম-Avometer Selector x1বা x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাইব্রেটর ভাল থাকলে ঘুরবে,নষ্ট থাকলে ঘুরবে না।

Microphone:


যার মাধ্যমে আমাদের কথা অপর প্রান্তে শুনতে পাই তাকে মাইক্রোফোন বলে বা এর নাম Microphone। Microphone মাপার নিয়ম- এভোমিটার সিলেক্টর x1 বা x10 রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে মিটারের রিডিং ৫-১৫ ওহম এর মধ্যে দেখাবে।

L.E.D : (Laight Emeting Diode)_

Mobile এর কিপেড ও ডিসপ্লেতে লাইট বা আলো জলার জন্য যা ব্যবহার করা হয়েছে তাকে L.E.D বলে। এল ই ডি  মাপার নিয়ম-এভোমিটার x1 বা x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে জলবে,নষ্ট হলে জলবে না।

Fuse:

Fuse এর কাজ হচ্ছে মাদার বোর্ডের সম্পুর্ণ ভোল্টেজ কে কনট্রোল কর। Fuse সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে।Fuse সাধারনত কালো রং এর হয়ে থাকে,এর দুই পাশে silver বা সাদা রঙ এর দাগ দেয়া থাকে।আবার Fuse সাধারনত অর্ধেক কালো,অর্ধেক সাদা রং এর হয়ে থাকে।(ক্ষেত্র বিশেষে Fuse অন্যান্য রং এর হয়ে থাকে) Fuse মাপার নিয়ম-এভোমিটার এর x1k এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে 0ohm  দেখাবে,নষ্ট হলে দেখাবে না।

এভোমিটার

আজ আবার আপনাদের সামনে হাজির হলাম,আমার ২য় টিউন নিয়ে।
আজ আপনাদের সামনে একটি ডিভাইস নিয়ে আলোচনা করব।আমাদের কাজ করতে অত্যন্তপ্রয়োজন যে বুমাটি ;-)  সেটি হচ্ছে এভোমিটার। এভোমিটার দুই ধরনে হয়ে থাকে।এনালগ ও ডিজিটাল। আমি এনালগ নিয়েই আলোচনা করব।কারণ ৯৮% এটা ব্যবহার হয় চলুন এক নজর দেখে নেই এভোমিটার।

Avometer:-

কাজের দিক দেয়ে এভোমিটার কে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
  • AC Voltage
  • DC Voltage
  • DC mili Ampear
  • Ohm
  • AC Voltage:-Ac voltage মাপার সময় এভোমিটার সিলেক্টর AcV 250 এ রেখে মাপতে হবে,তখন Avometer এর চতুর্থ স্কেল দেখতে হবে।
  • Dc Voltage:- Dc Voltage মাপার সময় Avomiter selector Dc V 10 রেখে মাপতে হবে,তখন মিতারের ২য় স্কেল দেখতে হবে।
  • Dc Mili Ampiear :- ব্যাটারীর এম্পিয়ার মাপার সময় dcma25 আথবা 0.25 এ রেখে মাপতে হবে।ব্যাটারী ভাল থাকলে মিটারের রিডিং দ্রুত দেখাবে।
  • Ohm:-Avometer Selector x1 থেকে x10k রেখে মাপতে হবে,তখন মিটারের প্রথম স্কেল দেখতে হবে।
Charger:-Avometer Selector Dc V10 রেখে মাপতে হবে,চার্জার যদি ভাল হয় তাহলে ৬-১০ ভোল্টিজ দেখাবে,নষ্ট হলে দেখাবে না।6 Voltage এর নিচে দেখালে চার্জ হবে না,আবার যদি 10v এর উপরে দেখাই তাহলে জানবে চার্জার ভাল না
Adoptor বা কুইক চার্জারঃ-এর কাজ হচ্ছে ব্যাটারী কে তাড়াতাড়ি চার্জ দেয়া।সর্বোচ্চ দুই মিনিটে চার্জ হবে।

Comments system

Disqus Shortname